দেশের আর্থিক অবস্থা খুবই সঙ্কটজনক, তবুও নতুন বাজেটে খুশি TATA, কেন জানেন ?

দেশে জিডিপি হারের হ্রাস রুখতে ও অর্থনীতিকে সুঅবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এবার রেল পরিবহন ব্যবস্থাতেও বেসরকারিকরনের পথে হাঁটছে কেন্দ্র। শনিবার ২০২০ সাধারন বাজেট প্রস্তাবে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানান, ১৫০ টি ট্রেন বেসরকারি সংস্থার মাধ্যেমে চালানো হবে।

 

এদিন নীতি আয়োগের CEO অমিতাভ কান্ত ১৫০ টি ট্রেন ও ৫০ টি রেল স্টেশনকে বেসরকারিকরনের প্রস্তাব দিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন। এই বিষয়ে টাটা, আদানি, সিমেন্স ও বম্বায়ডিয়ার ইত্যাদি বেসরকারী সংস্থাগুলিকে আহ্ববান জানানো হয়। টাটা এই ব্যাপারে উৎসাহ দেখিয়েছে বলে জানান রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান ভি কে যাদব।

 

রেল পরিবহন ব্যবস্থার বেসরকারিকরনের সাফল্য প্রসঙ্গে রেল মন্ত্রক জানিয়েছে , ১৫০ টি ট্রেনকে বিশ্বমানের পরিষেবা-যোগ্য করে তুলতে বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই খাতে প্রাইভেট সেক্টরের পক্ষ থেকে ২২৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ আসতে চলেছে। প্রস্তাবে জানানো হয়েছে যে, ১৫ মিনিট অন্তর ট্রেন চলবে এবং ট্রেনের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকবে ঘন্টায় ১৬০ কিমি। প্রতিটি ট্রেনে কমপক্ষে ১৬ টি কামরা রাখা হবে।

 

 

এখনও পর্যন্ত একটি ট্রেনেই বেসরকারিকরণ করা হয়েছে, তেজস এক্সপ্রেসে। এটিই দেশের প্রথম বেসরকারি ট্রেন। দিল্লি ও লখনউয়ের মধ্যে যাতায়াত করে এই ট্রেন। এই ট্রেনের গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হলে যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। ১ ঘণ্টার বেশি দেরি হলে ১০০ টাকা ও ২ ঘণ্টার বেশি দেরি হলে ২৫০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।

 

রেলে বেসরকারিকরণ নিয়ে গত কয়েকমাস ধরে আন্দোলন চালাচ্ছে রেল কর্মচারীদের সংগঠনগুলি। রেল পরিষেবার বেসরকারিকরণের খবরে নতুন করে অসন্তোষ দেখা গিয়েছে তাদের মধ্যে। উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের এনজেপির নেতা ভাস্কর তর বলেন, ‘রেলের এরকম পদক্ষেপের বরাবর বিরোধিতা করে এসেছে আমাদের সংগঠন। এরকম হলে চাকরির সুযোগ ক্রমাগত হারাতে থাকবে কর্মীরা।’